বাংলা ব্লগ
Simple Living High Thinking

বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে হেডস্কার্ফ পরিধানের অনুমতি দিয়ে আইনসভাতে পাস হওয়া একটি আইন বাতিল করে দিয়েছে তুরস্কের সাংবিধানিক আদালত। বৃহস্পতিবার প্রদত্ত রায়ে আদালতের পক্ষ থেকে আইনটিকে তুরস্কের সেক্যুলার আদর্শের বিরোধী হিসাবে আখ্যা দেয়া হয়েছে।

এধরনের ব্যপার বিশ্বজুড়ে ঘটছে। আমরা অসংখ্য ঘটনার কথা জানি যেখানে মহিলাদের হেজাব জোরপূর্বক খুলে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। হেজাব খুলতে অপারগতা প্রকাশ করায় স্কুল থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। নারী অধিকার, মানবধিকার ইত্যাদির নামে চাপানো হচ্ছে এসব বিষয়। কিন্তু একটি বিষয় আমার কাছে পরিষ্কার নয়। সেটা হলো, যদি কাউকে জোর করে স্কার্ফ পড়ানো মানবধিকার লঙ্ঘন হয়ে থাকে তাহলে কেউ স্কার্ফ পড়তে চাইলে বা হেজাব করতে চাইলে তাকে আইন করে বাধা দেয়াটাও কি মানবধিকার লঙ্ঘন নয়?

মানবধিকারের বিষয়টি বাদ দিলেও চিন্তিত হওয়ার মতো আরো অনেক বিষয় রয়েছে। লক্ষ্য করুন বিষয়টি- তুরস্কের (ধর্মনিরপেক্ষ) আদর্শের বিরোধী হওয়াতে মুসলমানরা চাইলেও স্কার্ফ পড়তে পারবে না। মানে সেক্যুলার আদর্শের বিরোধীদের আইন করে দমন করা হচ্ছে। অথচ ইসলামিক মতাদর্শের সমালোচনা করা হয় যে ইসলামী শাসন কায়েম হলে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের ধর্ম পালনে বাধা দেয়া হবে যা অন্যায় (যদিও ইসলাম কখনোই তা করবে না.. অতীতেও করেনি)। অথচ সেই তথাকথিত মানবতার ধ্বজ্জ্বাধারীরাই তাদের বিরোধী মতাদর্শের রীতিনীতিকে আইন করে বন্ধ করছে এবং সেই কালো আইনের পক্ষে গীত গাইছে! এটাকেই সম্ভবত বলে ডাবলস্ট্যান্ডার্ড!

ব্যক্তিগত ভাবে কোন মতবাদের লোকের উপরেই আমার কোন বিদ্বেষ নেই। তবে সেক্যুলারদের এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি। আর রাষ্ট্রিয় পর্যায়ে সেক্যুলাররা ক্ষমতায় যাক, এটা কোনদিনও চাই না। কেন চাই না, সেটার ব্যাখ্যা এই ঘটনায় রয়েছে। একই কারণে রাষ্ট্রিয় পর্যায়ে আইন করে ইসলাম পালনে বাধা দেয়া হয় যে ব্যবস্থায়, সেই ব্যবস্থার বিরুদ্ধেই থাকা উচিত প্রতিটি মুসলমানের অবস্থান।

PDF ফাইলের সাথে পরিচিত নন, এরকম পিসি ইউজার খুঁজে পাওয়া দুস্কর। এদের বেশীর ভাগই এই কাজে এডবি রিডার ব্যবহার করেন যার নতুন ভার্সনগুলো অনেক ধীরগতির। একটু খারাপ কনফিগারের পিসি হলে তো লোড হতে হতে একটু ঘুমিয়ে নেয়া যায়। এই অবস্থা থেকে পরিত্রান পাওয়ার উপায় নিয়ে অন্য ব্লগারদের দেয়া কিছু টিপস দেখে নিতে পারেন। আর আপনি যদি রিডারের ভার্সন ৮ ব্যবহার করে থাকেন রিডারের plug_ins ফোল্ডারে ঢুকে accessibility.api ফাইলটি রিনেম বা ডিলিট করে দেখতে পারেন।

তবে এর চাইতেও ভাল বুদ্ধি হচ্ছে এডোবি রিডার এড়িয়ে চলা। সেক্ষেত্রে Foxit হতে পারে আপনার প্রথম চয়েস। খুবই হালকা এবং বিনামূল্যে বিতরন করা এই টুলটি ব্যবহার করে দেখুন.. মন্দ লাগবে না।

ডাউনলোড লিংক: এখানে ক্লিক করুন

অনেকেই জানেন না যে ওয়েবে না গিয়েও মেইল চেক করা যায় বা করা যায়। আবার অনেকে জানলেও ভাবেন বিষয়টা খুবই জটিল! কেউ কেউ আছেন সবকিছুই জানেন, কিন্তু অলসতার জন্য সেটাপ করেন না। এদের সবার জন্যই এই টুল….

Mozilla Thunderbird মূলত একটি মেইল ক্লায়েন্ট এবং একই সাথে নিউজ/আরএসএস রিডার। সুন্দর ইন্টারফেসের ও সহজবোধ্যতার জন্য এটির জনপ্রিয়তা দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। চলুন এটি কিভাবে ব্যবহার করতে হয় জেনে নেই।

প্রথমেই আপনাকে টুলটি ডাউনলোড করে সেটাপ করে নিতে হবে। (তবে সবচেয়ে ভাল হয় যদি আপনি এর পোর্টেবল ভার্সনটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন। তাতে পেন ড্রাইভ বা পোর্টেবল হার্ড ড্রাইভে করে এটি যেকোন স্থানে নিয়ে যেতে পারবেন। আপনার মূল্যবান মেইল ও ফিডগুলো সবসময় হাতের কাছে রাখতে পোর্টেবল ভার্সনটা অধিক কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে। Mozilla Thunderbird Portable ডাউনলোড পেজে যাওয়ার জন্য এখানে ক্লিক করুন ।)

ডাউনলোড শেষ হলে ফাইলটিকে এক্সট্রাক্ট করে নিন সুবিধামত লোকেশনে। সরাসরি C ড্রাইভে করতে পারেন। তাহলে আপনার টুলটির লোকেশন হবে- C:\ThunderbirdPortable ..।

ক) Thunderbird দিয়ে জিমেইল চেক করা ও মেইল করা।

১) C:\ThunderbirdPortable এ গিয়ে ThunderbirdPortable ফাইলটি ওপেন করে Tools মেনু থেকে Account Settings ওপেন করুন।

২) Account Settings-এ অবস্থিত Add Account বাটনে ক্লিক করুন।

৩) একাউন্ট উইজার্ডে Gmail নির্বাচন করে নেক্সট করুন।

৪) আইডেন্টটিটিতে আপনার নাম ও ইমেইল আইডি দিয়ে নেক্সট করুন।

৫) সেটাপ উইজার্ড আপনার জিমেইল চেক করার জন্য প্রয়োজনীয় সেটিংস ঠিক করে দিবে যা দেখতে নিচের ছবির মত হবে। ফিনিশ বাটনে ক্লিক করে শেষ করুন।

আপনার থান্ডারবার্ড জিমেইল চেক ও মেইল করার জন্য প্রস্তুত। এখন আপনাকে শুধু নিশ্চিত হতে হবে যে আপনার জিমেইল একাউন্টে POP এবং IMAP এনাবল করা আছে কিনা। জিমেইলে লগইন করে ডানপার্শ্বে উপরে Settings এ ক্লিক করে Forwarding and POP/IMAP ট্যাবে চলে যান। অত:পর নিচের ছবির মত সেটিংস দিয়ে সেভ করুন।

সবকিছু ঠিকমত করতে পারলে এখন থেকে জিমেইল চেক করতে বা মেইলের রিপ্লাই/নতুন মেইল করতে আপনাকে আর ওয়েব পেজ ওপেন করতে হবে না। Thunderbird থেকেই সব করতে পারবেন। পরিক্ষা করে দেখুন সব ঠিক ঠাক কাজ করছে কিনা।

নতুন মেইল করতে টুলবার হতে Write -এ ক্লিক করে মেইল লিখে Send করুন। মেইল চলে যাবে….

মেইল চেক করতে টুলবারে অবস্থিত Get Mail এ ক্লিক করুন। নতুন কোন মেইল থাকলে সেটা আপনার ইনবক্সে দেখাবে। সেখান থেকে মেইল পড়া/ জবাব দেয়া বা যা খুশি করতে পারেন।

Thunderbird দিয়ে আপনি আরএসএস ও নিউজ ফিডও পড়তে পারেন। একটু ঘাঁটলেই বুঝতে পারবেন কিভাবে সেটাপ করতে হয়। তবুও কেউ বুঝতে না পারলে তাদের জন্য পরের পর্বে বিস্তারিত বলার ইচ্ছে রইলো।

মজিলা ওপেন করে এড্রেসবারে about:config টাইপ করে এন্টার করুন। মজিলার কনফিগারেশন পেজ ওপেন হবে।

ক) HTTP PIPELINING এনাবল করুন
১) HTTP পাইপলাইনিং এনাবল করে আপনি ব্রাউজিং এর গতি বাড়াতে পারেন। এর জন্য ওপেন হওয়া কনফিগারেশন পেজের ফিল্টারে টাইপ করুন network.http.pipelining. নিচের ছবির মত দু’টো ভ্যালু পাবেন।

২) উপরের network.http.pipelining অপশনের ভ্যালু True করুন। (ডাবল ক্লিক করলে False থেকে True হবে।)
৩) নিচের network.http.pipelining.maxrequests অপশনে ডাবল ক্লিক করে এর ভ্যালু বাড়িয়ে নিন.. (ডিফল্ট থাকে ৪.. আপনি আপনার নেট লাইনের গতি বুঝে পরিবর্তন করুন। আমার ব্রাউজারে এটি ৮ করা আছে।)

খ) HTTP PROXY পাইপলাইন এনাবল ও network.dns.disableIPv6 ট্রু করুন
১) HTTP PROXY পাইপলাইন এনাবল করতে ফিন্টারে টাইপ করুন- network.http.proxy.pipelining।
২) প্রাপ্ত অপশনের ভ্যালু পরিবর্তনের জন্য ডাবল ক্লিক করে True করুন।
৩) ফিন্টার বক্সে network.dns.disableIPv6 লিখুন।
৪) network.dns.disableIPv6 অপশনে ডাবলক্লিক করে True করুন।

গ) CONTENT INTERRUPT PARSING যুক্ত করুন
১) এই অপশনটি আগে থেকে থাকে না। সুতরাং আপনাকে যুক্ত করে নিতে হবে। এর জন্য about:config পেজে মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করুন।
২) সিলেক্ট করুন- New > Boolean (চিত্র দ্রষ্টব্য)

৩) New boolean value নামের যে পপ আপ উইন্ডোটি আসবে সেখানে content.interrupt.parsing টাইপ করুন।

৪) True ভ্যালু সেট করে OK করুন।

ঘ) CONTENT MAX TOKENIZING TIME যুক্ত করুন
১) about:config এ রাইট ক্লিক করে একটি নতুন Integer যুক্ত করুন।

২) content.max.tokenizing.time লিখে OK করুন।

৩) ভ্যালু হিসেবে 2250000 সেট করে OK করুন।

ঙ) CONTENT NOTIFY ONTIMER
১) about:config পেজে রাইট ক্লিক করে একটি বুলিয়ান অপশন যুক্ত করুন।

২) পপ আপ বক্সে content.notify.ontimer টাইপ করে ওকে করুন।

৩) ভ্যালু হিসেবে True নির্বাচন করুন।

চ) CONTENT NOTIFY BACKOFFCOUNT
১) about:config পেজে রাইট ক্লিক করে একটি Integer যুক্ত করুন।

২) content.notify.backoffcount নামে নতুন একটি অপশন যুক্ত করুন।

৩) ভ্যালু হিসেবে সেট করুন ৫।

কেমন হয় যদি একটি উইন্ডোতে আপনার সবগুলো ইনস্ট্যান্স ম্যাসেঞ্জার আইডি, মেইল বক্স, সোস্যাল নেটওয়ার্ক যেমন ফেসবুক, টুইটার, মাই স্পেস ইত্যাদিতে লগইন করে ব্যবহার করতে পারেন? তেমনটি একটি মজার টুল Digsby। ডাউনলোড করে সেটাপ করে আপনাকে প্রথমে একটি একাউন্ট বানিয়ে নিতে হবে। অত:পর একে একে আপনার সব ম্যাসেঞ্জার আইডি, মেইল ব্ক্স, ফেসবুক ইত্যাদি যুক্ত করে নিন…. কোন সাইট ব্রাউজ না করেই আপনি আপনার সকল যোগাযোগ রক্ষা করে চলতে পারবেন।

এটিতে আপনার ম্যাসেঞ্জারগুলোর প্রয়োজনীয় সকল ফিচার, ইমেইল প্রিভিউ, ফেসবুক নোটিফিকেশন ইত্যাদি সব কিছুই পাবেন যথাযথভাবে।


ছবি: Digsby-তে ইমেইল একাউন্ট যুক্ত করার উইন্ডো।


ছবি: ফেসবুকে কেউ আপনাকে কিছু পাঠালে এভাবে ম্যাসেজ দিয়ে আপনাকে জানাবে..

আরো বিস্তারিত জানতে নিজেই ব্যবহার করে দেখুন…

ডাউনলোড লিংক: এখানে ক্লিক করুন

কবে ডাউনলোড করে রেখেছিলাম ভুলে গিয়েছি.. আজকে হটাৎ ফোল্ডারটা চোখে পড়ায় গানগুলো শুনে দেখলাম। Panjabiwala[Habib Featuring Shireen] প্রথম গানটাই পাঞ্জাবী বিষয়ক। অন্তত তাই মনে হলো… কারণ গানের কথা শুনে বুঝার উপায় নেই কি বলছে। প্রথমে মনে হলো এটা হিন্দি গান.. তারপর একবার উর্দুও মনে হলো.. হেডফোন লাগিয়ে নিশ্চিত হলাম বাংলা গানই… গানের লিরিকস অনেকটা এরকম মনে হলো-

রসিক তুলকা জ্বালা (!???) ঐ লাল কুর্তাওয়ালা
দিলে বড় জ্বালারে পাঞ্জাবীওয়ালা!!

বাবরী কাটা তার চুলের বাহার
মুচকি হাসি.. হাসি মুখটা যে তার

বাবরীচুলওয়ালা ঐ লাল কুর্তাওয়ালা
মনে বড় জ্বালা রে পাঞ্জাবীওয়ালা…..

বন্ধু যদি আমার ব্রমর(!) হইতো
মনেরি বাগানে সে মধু খাইতো…!

মাইনষে বলে তারে কালারে কালা
আমারি কাছে লাগে কত যে বালা

কালা গলার ঐ লাল কুর্তাওয়ালা
দিলে বড় জ্বালারে পাঞ্জাবীওয়ালা!!

সিকি চুলকা জ্বালা(!?)… ঐ লালকুর্তাওয়ালা…

এতটুকু বহু কষ্টে উদ্ধার করা গেল.. প্রশ্ন হলো এখানে বাংলাদেশের কতটি আঞ্চলিক ভাষার ও হিন্দি/উর্দু/আরবী ভাষার মিশ্রণ ঘটনো হয়েছে? যাই হোক, ভাষা নিয়ে টেনশন বাদ দিয়ে পরের একটি গানের লিরিক দেখি-

অরে আমার ময়না পাকি(!) চিনোনি তারে.. চিনোনি তারে
যেজন আমার মন হারিল বাঁশির সুরে, পাকি চিনোনি তারে…..

মনু আমার গেল ওরে বাজাইয়া বাঁশি……
পাগল করিলো মোরে ওতার মদুর(?) হাসি…

এখানে বরিশালের কিছু শব্দ বুঝা গেলেও ও বাকী শব্দগুলোর উচ্চারণের বিষয়টা বুঝলাম না। মাঝখানে আবার উচ্চাঙ্গসঙ্গীতের সুর দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে.. সেখানে অবশ্য ভাষাটা বিকৃত করার চেষ্টা করেনি….

এর পরের একটা গান-
শাহজালাল বাবারে.. শাহপরাণ বাবারে..
একবার দেখা দাও আমারে…..

এই গানটা সিলেটি হওয়ার সম্ভবনা বেশী.. কিন্তু এখানে ভুলেও সিলেটী কোন শব্দ ব্যবহার করা হয়নি। সচেতন ভাবে আঞ্চলিকতা বাদ দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বুঝতে পারলাম…

৭ নাম্বার গানটার শিরোনামে দেখলাম লেখা- 07.Pem Nodete[Seren] … লিরিকে চলে যাই-

প্রেম নদীতে জাপ(!?) দিওনা সইগো সাঁতার না জেনে
ও তুমি প্রাণে নাহি বাঁচিবা… ডুবিয়া মরিবা….
ভাসিয়া যাইবা শেষে স্রোতেরও টানে…..

আমি সঙ্গীত বিশেষজ্ঞ নই… হওয়ারও কোন ইচ্ছে নেই। কিন্তু ইদানিং লক্ষ করছি বাংলা ভাষাকে যতটা বিকৃতি করে গান গাওয়া যায়, সেটা ততই হিট…! ডিজুস জেনারেশন আজকাল এগুলোই গ্রহন করছে। ডিজুস কালচারের ধাক্কায় বাংলা ভাষা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় সেটাই দেখার বিষয়….

প্রায় বছর খানেক ধরে ব্যবহারের পর ল্যাপটপের সিস্টেম রিস্টোর করলাম। আমার ডেলের Inspiron সিরিজে বুটিং এর সময় কন্ট্রোল কী চেপে ধরে F11 চাপলেই দশ মিনিটে একদম আনকোরা নতুন হয়ে যায় সিস্টেম। দিনের পর দিন ধরে জমে ওঠা ফাইল পত্র এটা সেটা সব ধুয়ে মুছে একদম সাফ। পুরো নতুন করে আবার শুরু করা….. ভাবছি মানুষের জীবন যদি রিষ্টোর যেত! কেমন হতো?

যাই হোক, পোস্টের মূল উদ্দেশ্য আঁতলামী নয়… অনেকদিন ব্যবহারের পর হটাৎ মনে হলো কাসপারস্কাই বাতিল ঘোষনা করি… যেহেতু সিস্টেম রিস্টোর করেছি, সেহেতু পুনরায় কাসপারস্কাই সেটাপ না দিয়ে ডাউনলো করলাম এভিজি ৮… সেটাপ ব্যবহার করছি আজকে সকাল থেকে… কিছু ভাইরাস যুক্ত হার্ডড্রাইভ ও পেন ড্রাইভ চেক করে দেখলাম। ওয়েব ফিচারগুলেও দেখলাম…. আমি মুগ্ধ!

এভিজির এই নতুন ভার্সনটি এন্টি ভাইরাস, এন্টি স্পাইওয়্যার, ই-মেইল স্ক্যানার, লিংক স্ক্যানার, রেসিডেন্ট শিল্ড ইত্যাদি ইত্যাদি সব দরকারী টুল সহকারে সেটাপ হয়। কোন টুলটার কি কাজ তা নিয়ে দু’এক লাইন বলে ফেলি-


এন্টিভাইরাস: এটা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। এভিজির এই ফ্রি এন্টি ভাইরাসটি ভাইরাস, ওয়ার্ম, ট্রোজান থেকে আপনাকে সুরক্ষা দিতে সক্ষম। প্রতি সপ্তাহে ওয়েব থেকে আপডেট করে নিলে আপনি মোটামুটি নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন।

এন্টি স্প‌্যাইওয়্যার: যারা এখন পর্যন্ত এন্টি স্পাইওয়্যার ব্যবহার করেননি, তারা হয়তো পিসি কেন স্লো”, পাসওয়্যারর্ড কিভাবে হ্যাক হলো”, এই প্রোগ্রামতো আমি সেটাপ করিনি.. কিভাবে আসলো’ টাইপ প্রশ্ন নিয়ে ঘুড়ে বেড়িয়েছেন অনেক। তাদের কে কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে এন্টি স্প‌াইওয়্যার। আর যারা ব্যবহার করেছেন, তাদের অনেকেই হয়তো কোন থার্ড পার্টি অপরিচিত টুল ব্যবহার করতে গিয়ে উলটো সিস্টেমের বারোটা বাজিয়েছেন বা হ্যাক হয়ে গিয়েছেন…. এরকম সবার জন্যই এভিজির এই ভার্সনটি কাজের। নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারেন।

ই-মেইল স্ক্যানার: যারা ডেক্সটপ মেইল ক্লায়েন্ট ব্যবহার করেন, তাদের পিসিতে ভাইরাস সহজেই ঢুকে পড়তে পারে। (যারা পপ মেইল ব্যবহার করতে জানেন না, তারা অপেক্ষা করুন… ওয়েবে না গিয়ে মেইল পড়ার পদ্ধতি নিয়ে দু’একদিনের ভেতরেই লেখার ইচ্ছে রয়েছে)। পপ মেইলে আসা ভাইরাসগুলোকে সাইজ করতেই ই-মেইল স্ক্যানার।

লিংক স্ক্যানার: ইদানিং হ্যাকার ও ভাইরাস মেকাররা ওয়েব সাইটের মাধ্যমে ভাইরাস ছড়িয়ে দিয়ে খুব জ্বালাচ্ছে। আপনি হয়তো গুগলে সার্চ দিয়ে একটি ওয়েব পেলেন যা আপাত দৃষ্টিতে খুবই সাদামাটা বা কাজের সাইট। কিন্তু সাইটের অভ্যন্তরে রয়েছে আপনার পিসির জন্য ক্ষতিকর সব বস্তু। এসব সাইট ভিজিট করার সাথে সাথে আপনি আক্রান্ত হতে পারেন। এইসব আক্রমন থেকে রক্ষার জন্যই এভিজি লিংক স্ক্যানার। সাইট ভিজিট করার আগে এভিজি চেক করে নিবে সাইটটি বিপদজনক কিনা। সুতরাং ওয়েবে আপনার নিরাপত্তা আরো সুদৃঢ় হলো।

রেসিডেন্ট শিল্ড: প্রায় সব এন্টি ভাইরাসেই এটি আছে। আপনি যখন কাজ করে যাচ্ছেন তখন সে আপনার ওপেন করা ফাইলগুলো প্রয়োজন মাফিক স্ক্যান করে দেখে নিবে ভাইরাস আছে কিনা। থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দায়িত্ব এটি পালন করবে। অপশনে গিয়ে কাস্টমাইজ করে এটিকে আরো সুসংহত করতে পারবেন।

আপডেট ম্যানেজার: প্রয়োজনীয় আপডেটগুলো এর তত্ত্বাবধানেই সম্পন্ন হয়… সরাসরি ওয়েব থেকে বা ডেফিনেশন ফাইল ফ্লাশ ড্রাইভে করে নিয়ে আপনি আপডেট করতে পারেন।

বিনামূল্যে ও অনেক ফিচার সমৃদ্ধ এন্টি ভাইরাস হিসেবে এভিজি পুরো বিশ্বে এখন টপ ফেবারিট। আগের ভার্সনগুলো তেমন একটা কাজের না হলেও নতুন এই ভার্সনটার উপরে ভরসা করা যায়। ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

ডাউনলোড লিংক: এখানে ক্লিক করুন

প্রফেসর· এ ম. এ. হালিম

ছোট বেলায় যখন আমি আমার মৌলভী পিতা ততকালীন আরবি ও ফার্সি ভাষার প্রথিতযশা অধ্যাপক-এর হাত ধরে বাইরে বের হতাশ পথিপাশ্বস্থ লোকজন তখন আমার পিতাকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা ও সমীহ করে সালাম দিতেনঃ ‘আসসালামু আলায়কুম’। ‘আসসালামু আলায়কুম’ শব্দের পুরোপুরি অর্থ না বুঝলেও এটা যে একটা সম্মানসূচক অভিবাদন তা অনুধাবন করতে আমার সে বয়সেও আমার কষ্ট হয়নি। সপ্তম শ্রেণীতে উঠে ‘আসসালামু আলায়কুম’ পুরো শব্দটা না পেলেও আরবি ‘সালামুন’ শব্দটি পেয়েছিলাম-এর অর্থ হচ্ছে শান্তি, প্রশান্তি এবং এ শব্দ থেকেই যে ‘আসসালামু আলায়কুম’ বাক্যটি এসেছে তা বুঝতে অসুবিধা হয়নি। কালক্রমে, কি করে এ বাক্যটি নিজের অজান্তে স্বতঃস্ফূতভাবে রপ্ত হয়ে গিয়েছিল তা আজ আর স্মরণে নেই।

‘সালাম’ সম্বন্ধে আমার যে বার‌্যকালীন ইমেজ গড়ে উঠেছিল তা এই যে বয়স্ক যে কোন লোকই সালাম পাওয়ার যোগ্য। বয়স্ক লোকদের সম্বন্ধে আমার পূর্বেকার ধারণা ছিল যে, তাঁরা সমাজে নমস্য ব্যক্তি এবং তাঁরা মানবীয় সব দোষ ত্রুটির উর্ধ্বে। বয়স্ক লোকদের শ্বেত-শুভ্র শ্মশ্রু আজানুলম্বিত সফেদ পাঞ্জাবী এবং মেজাজের ভাবগম্ভীরতা আমার এ ধারণাকে আরো সুদৃঢ় করে তুলে। তাই যত্রতত্র তাঁদের দেখলেই আমি আমার স্বভাব-সুলভ এবং পারিবারিক শিক্ষাজাত ‘সালাম’ ঠুকে দিতাম। সালামের গূঢ় তাতপর্য অবশ্য আমি জেনেছি অনেক পরে।

‘আসসালামু আলায়কুম’ বাক্যের তরজমা হলঃ আপনাদের উপর শান্তি বর্ষিত হউক। এ হচ্ছে সালামের সহজ-সরল সাদামাটা অর্থ। সালামদানকারী ও গ্রহণকারী উভয়েই উভয়ের মঙ্গল, কল্যাণ ও শান্তি কামনা করে এরূপে বাক্য বিনিময় করে থাকেন-এর পেছনে কোন উদ্দেশ্য, কোন স্বার্থ বিজড়িত নেই। নেহাত শান্তি কামনা করেই পারস্পারিক সুখ ও সমৃদ্ধি অর্থে আমরা এরূপ ভাব বিনিময় করে থাকি। ভাব বিনিময়ের সম্পর্কে নির্দেশিত আছে যে, যে ব্যক্তি ‘সালাম’ বা অভিবাদন দান করে তার প্রতিদান বা প্রতি জবাবে তাকে আরো কিছু অতিরিক্ত প্রদান করা উত্তম, যদি, তা না পারা যায় তবে ন্যূনপক্ষে এর অনুরূপ। অর্থাত কেউ যদি বলেনঃ ‘আসসালামু আলায়কুম’ তবে প্রত্যুত্তরে ‘ওয়া আলায়কু ওয়া সালাম ওয়া রাহমাতুলস্নাহে’ বলা উত্তম, না পারলে ন্যূনপক্ষে ‘ওয়া আলায়কুম ওয়া সালাম’। তবে এর চেয়ে অতিরিক্ত বিনিময় বাড়াবাড়ি রূপেই গণ্য হয়, কারণ, এতে সালাম প্রদানের ভাব বিনিময় কেবলই দীর্ঘায়িত বা প্রলম্বিত হয়।

============================================
অভিবাদন হিসেবে ‘সালাম’-এর পরিমিতিরোধ সত্য অবাক করার মতো। পারস্পারিক শান্তি, রহমত ও কল্যাণ কামনায় ‘সালাম’ সামাজিক আচরণের এক উদার সুন্দর ও মহত এবং উতকৃষ্টমানের শিষ্টাচার। এর মধ্যে কোন কলুষতা, গর্ববোধ বা আত্মম্ভরিতা নেই-আছে শুধু অনাবিল ও অমলিন শান্তি কামনা।
============================================

বর্নিত আছে যে, এক ব্যক্তি অধিক কল্যাণ লাভের প্রত্যাশায় রাসূল (সঃ)-কে অভিবাদনে বললেন, ‘আস সালামু আলায়কুম ওয়া রাহমাতুলস্নাহ ওয়া বারাকাতহু’। রাসূল (সঃ) নীরব থাকেন। বিষয়টি সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হলে তিনি বলেনঃ কল্যাণের সবটুকু তুমি নিজেই নিঃশেষ করে ফেলেছে-আমার জন্য অবশিষ্ট্য কিছু রাখনি। অভিবাদন হিসেবে ‘সালাম’-এর পরিমিতিরোধ সত্য অবাক করার মতো। পারস্পারিক শান্তি, রহমত ও কল্যাণ কামনায় ‘সালাম’ সামাজিক আচরণের এক উদার সুন্দর ও মহত এবং উতকৃষ্টমানের শিষ্টাচার। এর মধ্যে কোন কলুষতা, গর্ববোধ বা আত্মম্ভরিতা নেই-আছে শুধু অনাবিল ও অমলিন শান্তি কামনা।
‘সালাম’ প্রদানের একটা প্রায়োগিক ও ব্যবহারিক দিক রয়েছে। অজ্ঞাত ও অপরিচিতজনের নিকট সালাম এক ভূমিকা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। অফিস-আদালত, কল-কারখানায় অপরিচিত ব্যক্তির নিকট প্রথমেই সরাসরি মনের প্রকৃত উদ্দেশ্য পরিব্যক্ত করা যায় না-আবার নির্বোধ বোকার মত দাঁড়িয়েও থাকা যায় না। এ ক্ষেত্রে ‘সালাম প্রারম্ভিক আলোচনার সূচনা করে আমাদেরকে একটা বিব্রত ও অস্বস্তিকর পরিবেশ থেকে রক্ষা করে। ‘সালাম’ এমন একটি শব্দ যা শত্রুর উপর প্রয়োগ করলেও তার রাগ বা দ্বেষ থাকেতে পারে না। মনে হয় দুই অপরিচিত ব্যক্তির মধ্যে সংযোগ সাধনের জন্যেই এর সৃষ্টি। পারস্পরিক সংযোগ সাধনে ‘সালাম’-এর চেয়ে অন্যকোন উন্নত ও উতকৃষ্টমানের শব্দ আছে বলে আমার জানা নেই।

মনোযোগী ও অতিশয় কর্মব্যস্ত মানুষের কোন প্রকার বিরক্তি উতপাদন না করে ‘সালাম’ অতি-সহজেই তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে। যে ব্যক্তি অতি ব্যস্ত এবং অবনত মস্তকে তার কাজ ধীরে-সুস্থে করে যাচ্ছে তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সালামের জুড়ি নেই। কাশি, আকস্মিক শব্দ, বা স্যার স্যার শব্দ উচ্চারণে কর্মব্যস্ত মানুষের শুধু বিরক্তিই উতপাদন করে না, সময় সময় এসব আচরণ বেয়াদবীর পর্যায়ও পড়ে। স্যার স্যার শব্দ উচ্চারণ করলে বুঝা যায় যে তার অধীনস্থ কোন লোক তার নিকট আসছে এবং কতৃত্বের মানসিকতা তাকে পেয়ে বসে এবং ভাবে যে খানিক পর লক্ষ্য করলেই চলবে। কিন্তু, সালাম প্রদান করলে এমনটি ভাবার কোন কারণ নেই। সালাম প্রদানকারী নিজ অধীনস্থ না হয়ে বাইরেরও কেউ হতে পারেন। অধিকন্তু, সালাম প্রদানকারী আপনার নিকট অন্য কোন কিছু না হউক সালামে উত্তর প্রত্যাশা করে। সালাম পেয়ে এর বিনিময় প্রদান না করা অশালীন এবং স্বাভাবিক আচরণবিধির লংঘন। তাই সামাজিক ও ভদ্রতা রক্ষার স্বার্থে সালাম গ্রহীতা তার অবনত মস্তক উত্তোলন করে আপনার পরিচিতি জানতে চায় এবং অতি সহজ-স্বাভাবিকভাবেই সে তা গ্রহণ করে।

============================================
সালামের পুরো বাক্যটি হলঃ ‘আসসালামু ওয়া আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ′ অর্থাত মহান আল্লাহর অনুগ্রহ তোমার উপরে বর্ষিত হোক। পারস্পারিক ভাব আদান-প্রদানের এ শিষ্টাচার মুসলমানদেরকে স্বকীয় বৈশিষ্ট্যে বৈশিষ্ট্য-মন্ডিত করে রেখেছে।
============================================

সালাম আল্লাহর একত্ব বা তৌহিদবাদের বহিঃপ্রকাশ। এক বিশিষ্ট ভঙ্গিতে হাত স্কন্ধের উপরিভাগ পর্যন্ত উঁচু করে শিরে স্বাভাবিক রেখে সালাম আদান-প্রদান করা হয়। অবশ্য শুধু মুখে ‘সালাম’ উচ্চারণেও সালাম দান কার্য সমাধা হতে পারে। একমাত্র আল্লাহ ব্যতীত শির নত করার বিধান ইসলামে নেই। একমাত্র সালাম এবং সালামেই এ বিধি যথার্থভাবে পালন করা হয়। সালামের পুরো বাক্যটি হলঃ ‘আসসালামু ওয়া আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ′ অর্থাত মহান আল্লাহর অনুগ্রহ তোমার উপরে বর্ষিত হোক। পারস্পারিক ভাব আদান-প্রদানের এ শিষ্টাচার মুসলমানদেরকে স্বকীয় বৈশিষ্ট্যে বৈশিষ্ট্য-মন্ডিত করে রেখেছে।

পবিত্র কোরআনে বর্ণিত বিভিন্ন অর্থে ‘সালাম’ শব্দের ব্যবহার ও প্রয়োগ নিয়ে কিঞ্চিত আলোচনা করা যেতে পারে। শান্তি ও প্রশান্তির অর্থে সর্বপ্রথম যে আয়াতে ‘সালাম’ শব্দে আর্বিভাব ঘটে তা হচ্ছে সূরা কদরের ৫নং আয়াতে ৯৭:৫। পরিব্যক্ত হয়েছে ‘প্রভাত প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত ‘সালামুন’ অর্থাত প্রশান্তি বিরাজ করে’। অভিবাদন হিসেবে ‘সালামের’ উল্লেখ পাওয়া যায় সূরা ৫৬:৯০-৯১ আয়াতেঃ “আর যদি ডানদিকের একজন হয়, তবে তাকে বলা হবে, হে দক্ষিন পাশ্ববর্তী! তেমার প্রতি শান্তি”।

সম্ভাষণ হিসেবে বেহেশতবাসীদেরকে আল্লাহর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছেঃ ‘এই দিন জান্নাতীরা আনন্দে মশগুল থাকবেঃ· করুনাময় পালনকর্তার পক্ষ থেকে তাদের বলা হবে ‘সালাম’! ৩৬:৫৫-৫৮
প্রতিদান হিসেবে মুত্তাকীদের জানানো হবে অভিবাদন, তাদেরকে তাদের সবরের প্রতিদানে জান্নাতে কক্ষ দেয়া হবে এবং তাদেরকে তথায় দোয়া ও সালাম সহকারে অভ্যর্থনা করা হবে’। ২৫:৭৫ আয়াতে হযরত ইবরাহীন (আঃ)-এর মেহমানগণ (ফেরেশতাগণ) তাঁকে অভ্যর্থনা হিসেবে ‘সালাম’ বাণী উচ্চারণ করেন এবং হযরত ইব্রাহীম (আঃ)-এর পক্ষ থেকে এর জবাবও ছিল ‘সালাম’। “যখন তারা তাঁর নিকট উপস্থিত হয়ে বললেন ‘সালাম’ তখন তিনি বললেন, ‘সালাম’ ১১:৬৯, ৫১:২৫। হাদীস বাণী হিসেবে ‘সালাম’ শব্দ পুনঃপুনঃ প্রয়োগ করা হয়েছে প্রত্যেক নবীর নাম উলেস্নখের সাথে সাথে ৩৭:৭৯, ১০৯, ১২০, ১৩০ এবং ১৮১ আয়াতে। ইসলাম প্রচারের প্রারম্ভকাল থেকেই সম্ভাষণের মাধ্যমে হিসেবে ‘সালাম’ রীতি প্রচলিত হয়। “আর যখন তারা আপনার কাছে আসবে আমার নিদর্শনসমূহ বিশ্বাস করে, তখন আপানি বলুনঃ তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিক হোক (সালামু আলায়কুম)-৬:৫৪। নিজ গৃহে ব্যতীত অন্যের গৃহে প্রবেশ করার পূর্বে অনুমতি না নিয়ে এবং অভিবাদন না করে গৃহে প্রবেশ নিষেধ করা হয়েছে ‘হে মুমিনগণ, তোমরা নিজেদের গৃহ ব্যতীত অন্যের গৃহে প্রবেশ করো না যে পর্যন্ত আলাপ পরিচয় না কর এবং গৃহবাসীদের সালাম না কর —২৪:২৭। “–অতঃপর যখন তোমরা গৃহে প্রবেশ কর, তখন তোমরা স্বজনদের প্রতি ‘সালাম’ বলবে–২৪:৬১।

============================================
নিজ গৃহে ব্যতীত অন্যের গৃহে প্রবেশ করার পূর্বে অনুমতি না নিয়ে এবং অভিবাদন না করে গৃহে প্রবেশ নিষেধ করা হয়েছে ‘হে মুমিনগণ, তোমরা নিজেদের গৃহ ব্যতীত অন্যের গৃহে প্রবেশ করো না যে পর্যন্ত আলাপ পরিচয় না কর এবং গৃহবাসীদের সালাম না কর —২৪:২৭। “–অতঃপর যখন তোমরা গৃহে প্রবেশ কর, তখন তোমরা স্বজনদের প্রতি ‘সালাম’ বলবে–২৪:৬১।
============================================

অভিবাদনের জবাবে অতিরিক্ত কিছু সম্ভাষণ যোগ করে অভিবাদন দেয়া শ্রেয় ও উত্তম অথবা ন্যূনপক্ষে এর সমপরিমাণ। “তোমাদের যখন অভিবাদন করা হয়, তখন তোমরাও এর অপেক্ষা প্রত্যাভিবাদন করবে অথবা এরই অনুরূপ, আলস্নাহ সর