বাংলা ব্লগ
Simple Living High Thinking

বন্ধুদের মাঝে মাঝে বলি জেনুইন উইন্ডোজ ব্যবহার করতে। তারা ভাবে উপদেশ দেই। সত্যি কথাটা হচ্ছে আমি মোটেও উপদেশ দেই না। কম্পিউটার ব্যবহার করি ১৫-১৬ বছর হবে কিন্তু জেনুইন উইন্ডোজ ব্যবহার করছি মাত্র ৪/৫ বছর ধরে। পাইরেটেড উইন্ডোজ থেকে জেনুইনে আসার কিছুদিনের ভেতরেই আমার মনে হলো “কেন এতগুলো বছর এই মজাটা মিস করলাম?”। তবে এটাও ঠিক যে এর আগে জেনুইন উইন্ডোজ ব্যবহারের উপায় ছিলো না। শেষ পর্যন্ত জেনুইন উইন্ডোজ ব্যবহার করতে পেরে আমি সুখী এবং অন্যদেরকেও সুখী করতে চাই। কিন্তু পাবলিক উপদেশ হিসেবে কেন নেয় বুঝি না। থাক্‌, বুঝে কাজ নাই। আমি বরং তাদেরকে লোভ দেখাই। জেনুইন উইন্ডোজ ব্যাবহার করে কি মজা এইটা বুঝিয়ে মজা লই-

১) জেনুইন উইন্ডোজের সাথে মাইক্রোসফটের নানারকম সব আপডেট ফ্রি পাওয়া যায় যেগুলো কম্পিউটিং কে আরো মধুর করে তোলো
২) অনেক বাগ আর সিকিউরিটি সমস্যা সমাধান করে প্যাচ পাঠায়, তাতে কম্পিউটার ভাল চলে
৩) অনেক ভাইরাস, ওয়ার্ম বা হ্যাকারস একটিভিটি থেকে বাঁচা যায়
৪) মাইক্রোসফটের এন্টিভাইরাসটা ফ্রি পাওয়া যায়.. যেটা আসলেই অসাধারণ। পিসি স্লো করে না আবার কাসপারস্কাইয়ের মত বছর বছর টাকাও দিতে হয় না।
৬) মাইক্রোসফটের অসাধারণ কিছু টুল আছে যেগুলো ফ্রি পাওয়া যায়। যেমন ডিপ ফ্রিজের বিকল্প হিসেবে SteadyState.. পুরোপুরি ফ্রি! এছাড়াও SyncToy 2.1, Virtual PC 2007, Microsoft Baseline Security Analyzer 2.1.1 (for IT Professionals), Codec Installation Package ইত্যাদি ইত্যাদি আছে।
৭) মাইক্রোসফটের ওয়েবের কিছু বিশেষ পাতা আছে যেখানে একসেস পেতে হলে জেনুইন উইন্ডোজ ভ্যালিডিটি পাস করতে হয়। ওখানে অনেক দরকারী জিনিষপত্র থাকে।

এই লিঙ্কে আরো কিছু তথ্য পাওয়া যাবে- Genuine Windows Benefits

সবাই জেনুইন উইন্ডোজ ব্যবহার করুন, পাইরেসী কে নান বলুন।

ChromiumOS
ডস থেকে শুরু করে উইন্ডোজের সবগুলো ভার্সনই ব্যবহার করে দেখেছি। BeOS, Solaris এবং Linux এর মোটামুটি বেশ কয়েকটা ডিস্ট্রো চেখে দেখা শেষ করে উইন্ডোজ এক্সপি, সেভেন ও উবুন্তুতে এসে স্থিতু হয়েছি। ChromiumOS এর কথা এতদিন শুনে আসলেও পরখ করার সময় সুযোগ হয়নি। শুনলাম অনেক ফাস্ট, ভাবলাম চেখে দেখি। কাজ করতে করতে বোরড হয়ে শেষ পর্যন্ত আজকে সেটাপ দেয়ার আয়োজন শুরু করলাম। দেখি কেমন লাগে…

যারা এখনো ব্যবহার করেননি তারা http://chromeos.hexxeh.net/ এ টোকা দিন। অতৎপর USB Image: Torrent ভার্সনটা ডাউনলোড করে Windows Instructions এ টোকা দিন। ইনস্টলেশন পদ্ধতি ব্লগে লিখে সময় নষ্ট না করে ওখানেই যুক্ত করে দিলাম। (অনেকগুলো ভাষায় ছিলো কিন্তু বাংলায় ছিলো না, তাই দিরং করলাম না)। পড়ে পড়ে সেটাপ করুন… অনুভূতি কেমন শেয়ার করতে পারেন।

windows 7 and 12 mbps line
গতকাল কিউবির ৩২ কিলোবাইট নিয়ে হা-হুতাশ করার পর এরকম একটা লেখা দেখে চমকে যাওয়ার কিছু নাই, সত্যিকার অর্থেই 12mbps লাইন ব্যবহার করছি। পিসিটা অবশ্য বাংলাদেশে নয়, আমেরিকা আপুর বাসায়। দীর্ঘদিন ধরেই রিমোট ডেস্কটপ ব্যবহার করে ওটায় কাজ করছি। আগে ওটায় 2mbps লাইন লাগানো ছিলো, সম্প্রতি ভাইয়া 12mbps লাইন নিয়েছে। সুতরাং তুমুল গতিতে ব্রাউজিং এর মজা পাওয়ার জন্য ইদানিং ওটাতেই বেশিরভাগ কাজ করছি।

বাংলাদেশে যখন নেট স্পিড 10-12 এর মত থাকে তখন পুরোপুরি লোকাল পিসির মত গতিতে ওটা ব্যবহার করা যায়। কিউবিও নিয়েছিলাম যাতে ওটায় ভালভাবে কাজ করতে পারি। ভাইয়া সম্প্রতি উইন্ডোজ সেভেন লাগিয়ে দেয়ার পর কাজ করে আগের চাইতে বেশি মজা পাচ্ছি। উইন্ডোজ সেভেন সত্যিই অসাধারণ করেছে…।
1.5 mbps internet
ছবিঃ ডাউনলোড চলছে.. গতি 1.5 MBPS বা 12mbps এর মত পাচ্ছি এখন।

ভাবুন তো এরকম একটি ব্যবস্থার কথা, সুদূর আমেরিকার একটি বাড়ির নিচতলায় রাউটারে স্ক্যানার লাগানো। সেই পিসির সামনে বসে একজন কাজ করছে। ম্যাসেঞ্জারে লগইন করে তাকে একটি বিশেষ ডকুমেন্টস স্ক্যান করে পাঠাতে বললেন। তিনি পাশে থাকা স্ক্যানারে ডকুমেন্টসটি ঢুকিয়ে আপনাকে বললো স্ক্যান করে নিতে। আপনি ঢাকায় বসে স্ক্যানারের সফটওয়্যার খুলে প্রিভিউ দেখে স্ক্যান করে নিজের ডেস্কটপে নিয়ে এলেন ফাইলটা।

গতকাল আমেরিকায় থাকা একটি ডকুমেন্টস স্ক্যান করার প্রয়োজন হয়েছিলো। আমার পিসিটা বাড়ির উপরের তলায় থাকে। ওটায় লগইন করে ওয়্যারলেস প্রিন্টার কাম স্ক্যানারে কানেক্ট করে ফাইলটা স্ক্যান করলাম। ৫ মিনিটের ভেতরেই ডকুমেন্টসটার স্ক্যান কপি আমার লোকাল ডেস্কটপে হাজির। দ্যাট হোয়াট ইজ টেকনোলজি ম্যান…..

এক যুগ হয়ে গেল ইন্টারনেট ব্যবহার করছি। এমন কোন আইএসপি নেই যেটা পরখ করা হয়নি। বলা বাহুল্য সবাই দিনের পর দিন শুধু হতাশই করে চলেছে। শেষ পর্যন্ত গ্রামীণের ইন্টারনেট ব্যবহার করলাম বেশ কয়েক বছর। কিন্তু ইদানিং গ্রামীণের অবস্থা এতই খারাপ যে কিছু বলতেই রুচী হয় না। গ্রামীনকে গুডবাই জানিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম, অন্যরাও যে গ্রামীন ফোনের উপরে চরম বিরক্ত তা  জানা গেল এতে-
grameen phone internet

পরিচিত বেশ কয়েকজনের কথায় WiMax সার্ভিস Qubee নিলাম। প্রথম দুই সপ্তাহ দারুণ সার্ভিস পেলাম। হঠাৎ করেই শুরু হলো সমস্যা। টানা তিনদিন কিছুই করতে পারি না। কিছুক্ষনের জন্য ভাল থাকে.. তারপর যেই লাউ সেই কদু। তবে ভোর রাত থেকে সকাল পর্যন্ত ভালই স্পিড থাকতো.. ঠিক লোকাল আইএসপিগুলোর মত অবস্থা। বিরক্ত হয়ে আবার ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলাম- (more…)

দিবাস্বপ্নে বিভোর থাকা অতিবুদ্ধিমান একজন
রায় দেয়, বোকাদের শেখাতে হবে কিছু
এভাবে কি জীবন চলে?

বাস্তবতার ঘোরে আচ্ছন্ন মানুষদের একজন
হা-হু-তা-শ শ শ করে, দম নেয়
জীবনটাই হলো সারা

জীবনের কি দেখেছো তুমি বুড়ো
কোন সে জ্ঞানের বহর নিয়ে সারি সারি
অর্ধেক বাস্তব অর্ধেক স্বপ্ন

অপদার্থ বাস্তববাদী লোকটাকে দেখে
দিবাস্বপ্নচারী হাসে, করুনার চোখে তাকায়
স্বপ্ন রাজ্যের মানুষেরা

দিবাস্তবেই ডুবে থাকাদের নিয়ে
তাচ্ছিল্য করে-
আহা, জীবনটাই বৃথা!


ত্রিভুজ
৩ ফেব্রুয়ারী, রাত-৩:১০

sekh mujibor rahmanঅনেকেই হয়তো জানেন বানান যাচাই করার জন্য গুগল বেশ আদর্শ একটি যায়গা। ভুল বানানে ইংরেজি শব্দ লিখে সার্চ দিলে গুগল আপনাকে কাছাকাছি ইংরেজী শব্দটি প্রস্তাব করবে। তাছাড়া মিনিং তো জানা যাচ্ছেই। তবে বাংলা বানানের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি কাজে আসে না। এক্ষেত্রে হুট করে কোন বানান নিয়ে সন্দেহ জাগলে শব্দটার সবরকম বানান লিখে গুগলে সার্চ দিয়ে যে বানানরীতিতে বেশি সংখ্যক রেকর্ড পাওয়া যায় সেটাকে মোটামুটি সঠিক বানান হিসেবে ধরে নেয়া যায়। গুগলে বাংলা বানান নিয়ে এরকম সার্চ দিতে গেলে অনেক অদ্ভুত সব বানানের সন্ধান আপনি পাবেন।

যাহোক, বানান ভুল হতেই পারে, কিন্তু যদি এমন একজন ব্যক্তির নামের বানানে ভুল হয় যাঁকে নিয়ে অনেক আলোচনা, তর্ক-বিতর্ক ও প্রবন্ধ রচনা হয়? ব্যক্তিটা আর কেহ নন, তিনি শেখ মুজিবর রহমান। অনলাইনে শেখ মুজিবর রহমান এর নামে সার্চ করলে অবাক হতে হয়। (more…)

ইদানিং রাজনীতির অঙ্গনে যে শব্দগুলো খুব বেশি শোনা যায় তার ভেতরে একটি হচ্ছে “ধর্মভিত্তিক রাজনীতি“। সত্যি কথা বলতে কি, “ধর্মভিত্তিক” শব্দটার ভেতরেই একটু গলদ আছে। দুই কলম পড়াশোনা আছে কিন্তু ‘ইসলাম’ সম্পর্কে ধারণা ধোঁয়াটে এরকম যেকারোই “ধর্মভিত্তিক রাজনীতির” বিপক্ষে অবস্থান থাকা স্বাভাবিক। এর কারণ অনুসন্ধান করতে হলে ধর্মের নামে যে অত্যাচার আর সন্ত্রাস খ্রিস্টানরা করে গিয়েছে সেগুলো সম্পর্কে জানতে হবে। “মৌলবাদ” শব্দটার উৎপত্তি কোথা হতে তাও জানতে হবে। সেসব ইতিহাস লব্ধ জ্ঞান “ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি“-তে আমাদের উৎসাহ দেয়া তো দূরের কথা, বরঞ্চ রাষ্ট্র পরিচালনা বা রাজনীতিতে ধর্মীয় মতবাদের প্রধান্য দেয়ার পথে বাঁধা হিসেবে দাঁড়ায়। এমতাবস্থায় ধর্ম ভিত্তিক ব্যবস্থাপনার যেকোন অধ্যায় বিশেষ করে রাষ্ট্র ব্যবস্থার কথা ভাবতেই অন্ধকার আর খারাপ একটি ব্যবস্থার চিত্র ভেসে ওঠার উপক্রম হয়। কোন একটি ধর্মের অনুসারীরা নিজেদের ধর্ম থেকে বহুযোজন সরে এসে মনগড়া বিধানের দোহাই দিয়ে পৃথিবীতে কি অনাচার সৃষ্টি করেছিলো তা দিয়ে অনেক কিছু যেখানে বিচার করা হচ্ছে সেখানে ধর্মীয় মতাদর্শ থেকে দেশ পরিচালনা তো দূরের কথা ধর্মগুরুদের প্রাধান্যের কথা ভাবাটাই কষ্টকর। অথচ এই আমরা যদি জ্ঞান আহরনের পথে আরেকটু উদার হতে পারতাম, আরো অধিক জ্ঞান পিপাসা আমাদের থাকতো তা হলে নিঃসন্দেহে এক দলের সীমাবদ্ধতা ও ইতিহাস দিয়ে সামগ্রিক ভাবে ধর্মকে বিচার করতে যেতাম না। কোন এক ধর্মের অপব্যাখ্যাকারী ও বিকৃতকারীদের সৃষ্ট নৈরাজ্য থেকে ধর্মভিত্তিক জুজুর সৃষ্টি হতো না। (more…)

Muhammed Zafar Iqbal Recent Pictureপ্রতিক্রিয়াশীলতা শব্দটির সাথে যখন প্রথম পরিচয় ঘটে তখন বয়স খুব বেশি নয়। প্রতিক্রিয়াশীলতা কি বস্তু তা বুঝতে আরো কিছু শীত-গ্রীষ্ম-বসন্ত পার করতে হয়েছিল। এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে প্রতিক্রিয়াশীলতা আমার নিজের জীবনেও ছিল। কিছুকিছু ক্ষেত্রে হয়তো এখনো আছে। কিন্তু এটুকু বোঝার জ্ঞান এখন হয়েছে যে প্রতিক্রিয়াশীলতা কোন ভাল ফল বয়ে আনতে পারে না। যে জীবন ব্যবস্থায় আমি নিজেকে সাজাতে চাই সেই ব্যবস্থার ম্যনুয়াল আল-কোরআনে পরিষ্কার ভাবেই প্রতিক্রিয়াশীল হতে নিষেধ করা হয়েছে। সুতরাং সচেতন ভাবেই প্রতিক্রিয়াশীলতা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি।

চরমপন্থায় ঈমান হারানোর পরের হঠাৎ একদিন আবিষ্কার করলাম আমাদের চারিদিকে চরমপন্থীর অভাব নেই। প্রতিক্রিয়াশীলতাই বেশিরভাগের পুঁজি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটা খুবই দুঃখজনক যে যাদের কাছে জীবনে প্রথম ‘প্রতিক্রিয়াশীলতা’ শব্দটা শুনেছি সেই তারাই আজ প্রতিক্রিয়াশীলতার ভূমিকায়। সভা, সেমিনার, বিবৃতি, কলাম, বই; সর্বত্রই আজকাল শুধু ঘৃনার চাষাবাদ, প্রতিক্রিয়াশীলতায় ভরপুর। হাস্যকর লাগে যখন এরা প্রতিক্রিয়াশীলতার বিরুদ্ধে বক্তব্য দেয়। চরম উত্তেজক বক্তব্য ও ঘৃনার চাষাবাদ করে বেড়ায়। যাহোক, সেটা এদের দৈন্যতা বৈ আর কিছু নয়। কিন্তু যারা জীবনের সুন্দরতম সংজ্ঞাগুলোর সাথে সবাইকে পরিচয় করিয়ে দিতে চায়, জীবনকে সুন্দর করে সাজাতে সাহায্য করতে চায় তাদের জন্য প্রতিক্রিয়াশীলতা বেমানানই নয় বরং আত্মঘাতীও বটে। আপনার কোন আচরণ বা কর্মকান্ডে যদি কারো মনে আরো ঘৃণার সৃষ্টি করে সেটার পরিণাম ভাল হওয়ার সম্ভবনা কতটুকু? আপনার উদ্দেশ্য যদি হয় তার বা তাদের ভাল করা, তা হলে আপনি এক্ষেত্রে কতটুকু সফল হচ্ছেন? তার ভুল চিন্তা-ভাবনা ও কাজগুলো তো তার নিজের ও তার অনুসারীদেরই ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। আপনি আমি সেই ক্ষতি থেকে তাদেরকে বাঁচাতে গিয়ে তাদেরকে আরো বেশি ক্ষতির দিকে কেন ধাবিত করবো? (more…)

লেখাটা সামহোয়্যারইন ব্লগের কিছু আলোচনার সূত্র ধরে লেখা হয়েছে। মূল লেখাটা  এখানে পাবেন- http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29063449

একবার এক ছোট ভাই আমার সাথে বেশ বেয়াদবী করেছিলো। আমি কিছু বলিনি এবং সাথে থাকা বন্ধুদেরকেও কিছু বলতে দেইনি। ছেলেটি চলে যাওয়ার পর বন্ধুরা আমার উপরে খুব রাগ করলো; তাদের নাকি ইচ্ছে করছিলো চাবকে ছেলেটার গায়ের চামড়া তুলে নিতে। আমি বললাম, ছেলেটা ভদ্রতা শেখে নাই এটা তো তার নিজের সমস্যা। এই সমস্যার ফল  একদিন তাকেই ভোগ করতে হবে … আমারা যেহেতু সমাজ সেবা করতে বের হইনি বা মানুষকে জ্ঞান দিতে বের হইনি সেহেতু তার সমস্যা নিয়ে আমাদের মাথা ঘামানো প্রয়োজন কী?

এটা হয়তো কিছুটা স্বার্থপরের মত বক্তব্য হয়ে গেল। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে বেয়াদপদের ভদ্রতা শেখাতে গেলে কাজের কাজ কিছুই হয় না বরং তাদের বেয়াদবী বাড়ে। সুতরাং তারা তাদের সমস্যার ভেতরে নিজেরাই হাবুডুবু খেতে থাকুক। আমরা বরং নিজেদের ভদ্রতা বজায় রাখতে সচেষ্ট হই।

ব্লগে এবং বাস্তব জীবনে আমি অনেক নাস্তিক দেখেছি। এদের অনেকেই আমার বেশ ভাল বন্ধু। নাস্তিক বন্ধুদের কল্যানে হোক আর জানার আগ্রহ থেকেই হোক নাস্তিকদের প্রচুর বই, প্রবন্ধ-নিবন্ধ পড়া হয়েছে। নাস্তিকদের লেখাগুলো খুবই কৌশলী এবং কনভেন্সিং সন্দেহ নেই। সুতরাং দীর্ঘদিনের ধ্যান-ধারনা থেকে মুক্ত হয়ে নাস্তিকতার পথে রওনা দিতে দেরি করলাম না। কিন্তু যে জ্ঞান পিপাসা আমাকে নাস্তিকতার দিকে নিয়ে গিয়েছিলো সেই জ্ঞানপিপাসাই আবার ‘নাস্তিক ধর্মের’ ঈমানে ফাঁটল ধরিয়ে দিলো। প্রথমবারের মত আবিষ্কার করলাম ইসলাম সম্পর্কে আসলে আমি এতদিন কিছুই জানতাম না। বস্তুত পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত ধর্ম ও লোকমুখে শুনা ইসলাম নিয়েই এতদিন সুখী ছিলাম। সেই ইসলামের অনেক কিছুই কুসস্কার, অনেক কিছুই অর্ধসত্য। পুরো সত্যটা জানার জন্য ইসলাম নিয়ে স্টাডির যে কোন বিকল্প নেই সেই সত্য প্রথমবারের মত আবিষ্কার করলাম। আজকে অন্তত এটুকু দাবী করতে পারি যে ‘পৈতৃক সূত্রে মুসলমান বা গরু খাওয়া মুসলমান আমি নই। আর লোকমুখে শুনা ইসলাম পালন করে নিজেকে আদর্শ মুসলমান ভাবি না’। তবে হ্যাঁ, নিজেকে খাঁটি মুসমান দাবী করার অবস্থানে এখনো পৌঁছাতে পারিনাই এবং ইসলাম নামের অপারেটিং সিস্টেমটা দ্বারা এখনো পুরোপুরি পরিচালিত নই (একদিন হয়তো পারবো… )। একথা স্বীকার করতে দোষ নেই যে ইসলাম সম্পর্কে প্রাপ্ত জ্ঞানের জন্য নাস্তিক ও নাস্তিক ধর্মের  কাছে আমি কৃতজ্ঞ। (more…)

বিল্লুনগরের জানালা দরজার ক্যাঁচক্যাচিতে যারা ইতিমধ্যে বোরিং ফিল করতে শুরু করেছেন তাদের জন্য উবুন্তুপুর আদর্শ যায়গা হতে পারে সন্দেহ নেই। কিন্তু আমার মত যারা টাকা দিয়ে বিল্লুনগরে প্লট কিনেছেন তারা হয়তো উবুন্তুপুরে যেতে ততটা আগ্রহী নন বা যাওয়া উচিত কিনা ভাবছেন। কেউ কেউ আছেন যাদের কাছে উবুন্তুপুরে যাওয়ার ঠিকানা নেই বা কারো সময় নেই। এই সব শ্রেণীর জনগনের জন্য খুব সহজ একটি রাস্তা বাৎলে দেয়ার চেষ্টা করবো আজ। তাহলে চলুন শুরু করি। সম্মানিত ভার্চুয়াল নাগরিকগন, সবাই শক্ত হয়ে বসুন, সীটবেল্ট বেঁধে নিন। আমরা এখন উবুন্তুপুরের দিকে আমাদের যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছি। (more…)