সামহোয়্যারইন ব্লগে যেভাবে দিনপঞ্জি লিখতাম

এখানে লেখালেখির অনুপ্রেরনা

১১ ই জানুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৫:৪৭

এখানে যখন প্রথম লিখতে শুরু করলাম তখন মূলত দুইটি কারনে খুব এক্সাইটেড হয়েছিলাম। প্রথমত বাংলায় লিখা যাচ্ছে, দ্বিতীয়ত কিছু একটা লেখার পর সেটা নিয়ে অন্যেরা আলোচনা করছে। তারপর লিখে যেতে থাকলাম... যে বিষয়েই লিখি না কেন পক্ষে বিপক্ষে প্রচুর মন্তব্য পেতে থাকলাম। যারা আলোচনা করতে পারেন না তাদের কাছ থেকে গালাগালি পাচ্ছিলাম যেগুলোকে আমার যুক্তির জবাব দেবার অক্ষমতা হিসেবে ধরে নিয়ে নিজের বিশ্বাসে আরো দৃঢ় হয়েছি। তখন মন্তব্য পেলে খুব আনন্দ লাগতো.. কোন একটি লেখায় মন্তব্য কম দেখলে মনে হতো লেখাটা বুঝি কারো চোখেই পড়েনি ।

এভবেই চলছিল... কিন্তু কিছুদিন পরেই একটা ব্যাপার লক্ষ করলাম। এখানে যেকোন জটিল বিষয় নিয়ে আলোচনা করার মত ধৈর্য্যশীল লোকের অনেক অভাব রয়েছে। এমনকি এখানে অনেক ভাল লিখেন এরকম মানুষদের মাঝেও ধৈর্য্য ও সহনশীলতার অভাব দেখতে পেলাম। কোন একটি সিরিয়াস পোষ্ট দেবার পর সেটা নিয়ে আলোচনা চলার একটি মূহুতের্্ব দেখা যায় মূল আলোচনা রেখে লোকজন ব্যাক্তিগত আক্রমন শুরু করেন। যা আসলে সুন্দর একটি আলোচনার পথে বাধা হয়ে দেখা দেয়। আবার কেউ কেউ সম্পূর্ন অপ্রাসঙ্গিক ভাবে নোংরা ভাষায় ব্যাক্তিগত আক্রমন করেন। এসবের কারনে অনেক ভাল ভাল লেখককে এখানে লেখালেখি বন্ধ করে দিতেও দেখেছি। বুঝতে পারছিলাম এই অল্প কিছু অসুস্থমনা লোকের কারনে লেখক-পাঠক উভয়েই ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। কিন্তু লেখালেখি বন্ধ করে দেয়া ছাড়া আমার আর কি করার আছে?

তারপরও লিখে যেতে থাকলাম। আরো কিছুদিন এরকম পরিস্থিতি সহ্য করার পর মনে হলো এখানে কিছু হবে না.. মনে হলো আর সকল [গাঢ়]বাঙ্গালী কমিউনিটির[/গাঢ়] মতই এখানেও গঠন মূলক কিছু সম্ভব নয়। লেখা কমিয়ে দিচ্ছিলাম। হটাৎ একদিন একটি মেইল পেলাম.. মেইলটির সারমর্ম ছিল এরকম যে, কে কি বলে সেসব চিন্তা বাদ দিয়ে আপনি নিজের কাছে সেটা সঠিক মনে হবে তা নিয়ে লিখে যান, আমরা পড়ছি। তার জবাবে বললাম, এখানে সম্ভন নয় সুস্থ চিন্তার বিকাশ। এর জবাবে পেলাম অনেক সুন্দর করে খুবই যুক্তিপূর্ন দীর্ঘ একটি মেইল।

শেষ মেইলটি পেয়ে বিস্মিত হয়েছিলাম। এই সাইটের সকল তিক্ত অভিজ্ঞতা নিমিষেই ভুলে গেলাম। প্রথমবারের মত বুঝতে যেমনই লিখিনা কেন, লোকজন আমার লেখাকে আমার সীমাবদ্ধতাটুকু মেনেই গ্রহন করতে পারছে। আমার ক্ষুদ্রজ্ঞান নিয়ে লেখা বিষয়গুলো হয়তো অনেকের মাঝে অনেক জানার অনুপ্রেরনা সৃষ্টিতে সহায়ক হয় যেরকম আমার নিজের মাঝে হয়। বুঝতে পারলাম লেখালেখি চালিয়ে যাওয়া উচিত। সেই লক্ষে আবার শুরু করলাম.. শুধুমাত্র আমার নীরব পাঠকদের জন্যে।

ইদানিং প্রচুর মেইল পাই... তাদের কেউ শুধুই প্রশংসা করেন.. কেউ আমার ভুলগুলো খুব চমৎকার ভাবে সুন্দর ভাষায় ধরিয়ে দেন যা এই ব্লগের অনেকেই পারেন না.. আবার এখানের লোকজনের মত গালিও দিয়েছেন বেশ কিছু পাঠক...


আমার দিনলিপি - ৫ : অনিয়ম

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:৫২

গত তিনদিনে ঘুমিয়েছি ২ ঘন্টার ও কম। আজকে রোজা শুরু হয়েছে। সেহরী খেতে হবে... একবার ভাবলাম জেগেই থাকি সারা রাত.. সেহরী খেয়ে নামাজ পড়ে একবারে ঘুমাবো। কিন্তু অবস্থা খুবই খারাপ ছিল... দুইদিন কফি খেয়ে খেয়ে টিকে ছিলাম.. আজকেও থাকতে পারতাম.. তবে তাতে অনিয়মের চুরান্ত পর্যায়ে পৌছে যেতাম হয়তো। হয়তো বা পৌছেও গিয়েছি। তবে রোজার মাস শুরু হয়েছে... এখন নিজেকে নিয়ন্ত্রন করা সহজ। আমার জন্য এই সময়টায় রোজা শুরু হওয়াটা যেন বিশাল এক রহমত স্বরূপ। কারন কিছুদিন ধরে খুব অনিয়ম হচ্ছিল। সবকিছু এলোমেলো চলছে... রুটিনের বাইরে চলে গিয়েছি। হাতে অনেক কাজ... সেই কাজ থেকে কিছুদিনের অবসর নিয়েছি.. মানে নিজেকে নিজেই ছুটি দিয়েছি। অবসরটা কাটাচ্ছি অনিয়ম করে। গত ১০/১২ দিন ধরে অনিয়মটাই আমার জন্য নিয়ম হয়ে দাড়িয়েছে।

যাইহোক, গতকাল রাত ১টার দিকে ঘুম দিলাম। মোবাইলে এলার্ম সেট করে দিলাম ৪-টায়। এলার্ম বাজছে.. কিন্তু আমার উঠতে মন চাইছে না। কিন্তু রোজা রাখতে হবে.. তাই ৪:১৫মি: এর দিকে উঠে গেলাম জোর করেই অনেকটা। উঠে সেহরী করছি... এমন সময় দিয়ে দিল আযান। খাওয়া বন্ধ করে পানি খেয়ে রোজার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে নিলাম। তারপর নামাজ পড়ে বসলাম আবার পিসি'র সামনে। এখন ৭:৪৮ মিনিট। শেষ ৬০ঘন্টায় আজকের ৩ ঘন্টা নিয়ে মোট ৩ ঘন্টা ৩০ মিনিট ঘুমিয়েছি। কিন্তু তবুও ঘুম আসছে না।

এখন হালকা একটা ঘুম দেব.. আজকে থেকে চেষ্টা করব এই অনিয়ম থেকে বেরুতে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।


আমার দিনলিপি - ৪ (চমৎকার সকাল)

২৭ শে জুন, ২০০৬ রাত ৯:৫১

ছোটবেলায় খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠার অভ্যেস ছিল। মনিং শিফটে স্কুলে যেতে হতো। তাছাড়া বাসার সবাই ভোরে উঠত। আরেকটু বড় হয়েও ভোরে উঠার অভ্যেস ছিল। তারপর সবকিছু পরিবর্তন হতে শুরু করল। দিন দিন বড় হতে থাকলাম আর আমার সকালগুলো হারিয়ে যেতে লাগল। এর পেছনে আরো যেসব কারন রয়েছে তা হলো একাকী থাকার অভ্যেস। অনেক রাত পর্যন্ত জেগে থাকা রুটিন হয়ে গেল। এখনতো রীতিমত নিশাচর হয়ে গিয়েছি। রাতেই করি সকল কাজ। অধিকাংশ দিনই ঘুমাতে যাই ফজরের নামাজের পর। উঠা হয় সকাল ৮/১০টার মধ্যে। ছুটির দিনগুলোতে ১১টার পর।

আজকেও সারা রাত জেগে ছিলাম। ঘুমাতে গিয়েছি যখন ভোর হয় হয় করছে। সাহিত্যিকরা যাকে বলে কাক ডাকা ভোর। কিন্তু ঘুম আসছিল না। তাই ঘুমের ভান না করে বারান্দায় গিয়ে বসলাম। অনেকদিন পর একটি সকাল হতে দেখলাম। এত চমৎকার লেগেছে... যা ঠিক বলে বুঝাতে পারব না। এতদিন এতগুলো সুন্দর সকাল মিস করেছি ভেবে নিজের উপর কিছুটা রাগও হয়েছে।

আজ ঠিক করলাম কাল থেকে প্রতিদিন সকালে উঠব। আজ দুপুরে কিছু গুরুত্বপূর্ন কাজ আছে... তাই আর ঘুমাতে যাওয়া হচ্ছে না। কাজ সেরে একসাথেই ঘুম দেব। এবং আগামীকাল থেকে সূর্যি্য মামা জাগার আগে জেগে উঠতে চেষ্টা করব। দেখা যাক পারি কিনা!


আমার দিনলিপি - ৩ (কদম ফুল)

২৩ শে জুন, ২০০৬ দুপুর ১:৩০

শুক্রবারে কাজকর্ম করি না... নিজের জন্য রাখি দিনটা। কিন্তু আজ দুই বন্ধুকে সময় দিলাম।তাও আবার নেট থেকে হওয়া বন্ধু। আসার কথা ছিল একজনের... দেখলাম দুজনই চলে এসেছে। আইআরসিতে পরিচয় হয়েছিল 4বছর আগে।

বাসায় কিছুক্ষন গপপো মেরে আসর নামাজটা পড়েই বের হলাম... উত্তরার দিকে রওনা হলাম... পথে হটাৎ একজন বলে বসল এয়ারপোর্টে ঢুকবে। কোথাও আমার চলে যেতে নাই মানা... তাই ঢুকে গেলাম... দুইতিন মাস পরপরই পরিবারের কেউ না কেউ দেশে আসে.. তাই এয়ারপোর্টে প্রচুর যাওয়া হয়। এয়ারপোর্টের গোল চত্তরটায় কাউকে বসতে দেখি না কখোন। কিন্তু আজ ঢুকে দেখি গোল চত্তরে অনেক মানুষ বসে আছে... আমরাও বসলাম। সেখানেও অনেক গপপো হলো... সন্ধ্যা হয়ে এলো একসময়... মাগরিবের নামাজটা কাজা করতে চাচ্ছিলাম না... কিন্তু সাথে থাকা দুই বন্ধুর কথা ভেবে কাজা করে ফেললাম... ওরাও নিয়মিত নামাজ পড়ে... তবে ওরাও সম্ভবত অপর দুজনের কথা ভেবে আর বাড়াবাড়ি করল না... (কাজটা ভাল করিনি..এখনো খাঁটি ঈমানদার হতে পারিনি মনে হয়) সন্ধ্যার ঠিক একটু পর এত চমৎকার পরিবেশ সৃষ্টি হলো... বিরবির করে বললাম "অদ্ভুত!" ঘন ঘাসের মাঝে শুয়ে পরলাম একসময়... আকাশের দিকে তাকিয়ে মুগ্ধ হয়ে গেলাম.. তারা দেখে নয়, এত বিশাল আকাশ কোন বাঁধা ছাড়াই দেখতে পেরে। আমরা ঢাকাবাসীরা আকাশ দেখার আনন্দ থেকে বঞ্চিত! ওখানে গিয়ে মনে হলো কেন এতদিন আসলাম না...

সেখান থেকে ভাবলাম হেটে হেটে উত্তরা যাব... রওনাও দিয়ে দিলাম.. কথা বলতে বলতে হাটছি... হটাৎ দেখি কদম গাছ... অনেক উপরে ফুল ফুটে আছে... হতাশ দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছাড়া কিছু করার ছিল না... আরেকটু সামনে গিয়ে দেখি আরো কদম গাছ.. একটি দুটি নয়... একের পর এক অনেক কদম গাছ... আগে কখনো লক্ষ করিনি এই পথে এত কদম গাছ আছে... যাই হোক ভাবলাম হাতে কাছে যদি একটি ফুলও পাওয়া যেত.....একটু সামনে গিয়ে অনেকটা নিচে একটি ফুল দেখে অনেক্ষন লম্ফ ঝম্ফ দিলাম... লোকজন সম্ভবত ভাবছিল পাবনা থেকে সম্প্রতি রিলিজ পাওয় কেউ হবে... লম্ফ ঝম্ফে কাজ হলো না... আরেকটু সামনে গেলাম হতাশ হয়ে। গিয়ে দেখি আরো নিচে একটি ফুল... একটি ডাল ধরে টেনে ফুলটিকে হাতের নাগালে এনেই ছিড়ে ফেললাম গাছ থেকে। মনে দারুন আনন্দ হলো... কিন্তু মানুষ তিনজন কদম ফুল একটি... কি করা যায়? আরেকটু সামনে গেলাম... অসংখ্য কদম গাছ.. কিন্তু কোনটিতেই হাতের নাগালে কোন ফুল নেই... উপরে তাকিয়ে হাটতে লাগলাম... এক বন্ধু বললো নিচের দিকে তাকিয়ে হাটতে.... না হলে ম্যান হোলে ছু মন্তর ছু হয়ে যেতে পারি... ঐ দিকটায় ম্যানহোল নেই এটা জানি.. তাই কথা কানে না নিয়ে উপরের দিকে তাকিয়ে হাটা অব্যহত রাখলাম। থমকে দাড়ালাম.. খুব ছোট একটি গাছে অনেক কদম ফুল.... দুই সেকেন্ড ভেবেই দুজনকে চমকে দিয়ে লাফ দিয়ে উঠে গেলাম গাছে... গুনে গুনে 5টি ফুল ছিড়লাম... তিনজন দুটো করে পাব তাহলে। আমি তখন দারুন এক্সাইটেড! ঢাকা শহড়ে গাছে উঠে কদম ফুল পারা তো আর এত সহজ বিষয় নয়... বেট ধরতে পারি মাত্র হাতে গোনা কয়েকজন কাজটি করতে পেরেছে...
যাই হোক... কদম ফুল পেয়ে আমরা তিনজনই মহা খুশি.. একেবারে বাচ্চাদের মত খুশি। আমার তো চিৎকার দিতে ইচ্ছে করছিল। দুটো করে কদম ফুল নিয়ে হাটছি.. লোকজন আমাদের দিকে তাকাচ্ছিল... হয়তো ভাবছিল- 'কাহিনী কি... কদম ফুল পাইলো কই?' তো আমরা মহা আনন্দে হাটছি... স্কলাষ্টিকা উত্তরা শাখার কাছে এসে আমরা তিনজনই 'থ'... একি কান্ড! একটা বিশাল কদম গাছে অজস্র কদম ফুটে আছে। ফুলো জন্য পাতাই দেখা যাচ্ছিল না মনে হল। 30সেকেন্ড সম্ভবত তাকিয়ে ছিলাম। ইচ্ছে করছিল পুরো গাছটিই কেটে নিয়ে আসি... তাতো আর করা সম্ভব নয়... তাই হাতের দুটোতেই আপাতত খুশি হতে হলো...

কদম ফুল দুটে এনে আমার কম্পিউটারের উপরে রেখেছি.. এতক্ষন কদমের ঘ্রান নিতে নিতে লিখে ফেললাম, ছবি ও বর্ননা থেকে ভার্চুয়ালি আপনারাও যদি কিছু টা ঘ্রান পান.. এই আশায়...


দিনপঞ্জিঃ জুন, ২০০৬

০৩ রা জুন, ২০০৬ সকাল ৮:২৪

কিছুটা বোরিং লাগছে। সিগারেট খাই না সবসময়.. কিন্তু এখান একটা হলে মন্দ হতো না। কাউকে দিয়ে আনিয়ে নিতে পারি.... কিন্তু সেটিও ইচ্ছে করছে না।
বাইরে খুব সুন্দর একটি গোধূলীর সূচনা হতে যাচ্ছে। আকাশটাও অনেক পরিষ্কার... সূর্যটা সুযোগের সৎব্যাবহার করতে চাচ্ছে। কিন্তু কেন যেন বাইরে গিয়ে দেখতে ইচ্ছে করছে না এত চমৎকার একটি বিকেল।
কাজ যে একেবারেই খুজে পাচ্ছি না তা ভুল। অনেক কাজ আছে করার মত। কিন্তু মাঝে মাঝে কোন কাজেই উৎসাহ থাকে না। ব্যাপারটা ঠিক অলসতা নয়, ডিপ্রেসনও বলব না, অন্য কোন ব্যাপার হয়তো যার সম্পর্কে জানি না। অনেক অনুভুতির সাথে এখনো পরিচয় ঘটেনি। অনেক অনুভুতি আছে যেগুলোর সাথে দেখা হয়েছে কিন্তু বুঝতে পারিনি। এটিও হয়তো সেরকম কিছু....


নতুন বছর.. প্রথমদিন.. কেমন গেল?

১৪ ই এপ্রিল, ২০০৬ দুপুর ১:০৬

নতুন একটি বছর এসে গেল... একটি দিন চলেও গেল... কথায় আছে বছরের প্রথমদিন যেমন যাবে সারা বছরের উপর তার প্রভাব থাকবে... তো.. কেমন গেল সবার আজকের দিনটি?


আমি সন্যাসী হব

০৭ ই এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ১০:২৯

সন্যাসি হলে কেমন হয়? ভাবছি হয়ে যাবো কিনা...
সবাই শুভ কামনা প্রয়োজন... আর কারো স্পেশাল ফু টু লাগলে আগেই বুকিং দিয়ে রাখতে পারেন.... (ক্লোজআপহাসি) ...
** সন্যাসী হবার প্রসিডিউর কারো জানা থাকলে রিপ্ললাই দিতে পারবেন... তার জন্য ইসপিশাল ফু সবসময় রেডি থাকবে....


Thoughts